আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে সারা দেশে ৬৫৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে তারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাবলে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত এই বিচারকরা ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫ দিন মাঠে থাকবেন। অর্থাৎ ভোটের আগের দুই দিন, ভোটগ্রহণের দিন এবং পরবর্তী দুই দিন তারা সরাসরি নির্বাচনী অপরাধ আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার (সামারি ট্রায়াল) সম্পন্ন করবেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা মূলত ভোটদানে বাধা দেওয়া, কেন্দ্র দখল, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ বিভিন্ন তফসিলি অপরাধের বিচার করবেন। ‘দ্য কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’ এর ১৯০ (১) ধারা অনুযায়ী তাৎক্ষণিক বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তাদের। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পঞ্চগড়-১ থেকে বান্দরবান পর্যন্ত ৩০০টি সংসদীয় আসনেই সুনির্দিষ্ট অধিক্ষেত্র অনুযায়ী এই বিচারকরা দায়িত্ব পালন করবেন।
দায়িত্ব পালনকালে তাদের প্রয়োজনীয় যানবাহন ও সহায়ক স্টাফ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট বিচারকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে ইসি। বিচারিক কার্যক্রম শেষে প্রতিটি মামলার ফলাফল পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কমিশন সচিবালয়ে জমা দিতে হবে।
তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ArrayCopyright © 2026 তেপান্তর | Design & Developed By: ZamZam Graphics