আসাদুজ্জামান আসাদঃ গতকাল ২৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণনাড়িয়ায় সদর পৌর এলাকার মধ্যপাড়ায় আপেল খাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে ৭বছরের শিশু রাইহান।
করোনার সংক্রমণ ছড়িয়েছে বিশ্বব্যাপী। এই সময় গৃহবন্দি হয়ে থাকার সময় আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখার ব্যাপারে নানা ধরনের নিয়ম মেনে চলা জরুরি। তার মধ্যে অন্যতম খাদ্যাভ্যাস। কী খাব আর কী খাব না, সেটা বুঝে নেওয়াটা এখন খুব জরুরি। চিকিৎসকেরা বলছেন, এই সময় নানা ধরনের ফল খাওয়ার খুব প্রয়োজন। তাতে যে কোনও ধরনের শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমাদের শরীর অনেক বেশি প্রস্তুত থাকতে পারবে। কিন্ত করোনায় লক ডাউনের কারনে বিদেশি ফল আমদানি কমে যাওয়ায় কিংবা বেচাকিনা বেশি না হওয়ায় দীর্ঘদিন থাকা ফর্মালিন যুক্ত ফল বিক্রি হচ্ছে বাজারে।যা খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়ছে মানুষ।
রাইহানে মা শিউলি আক্তার তেপান্তর কে জানান,গতকাল ইফতারের জন্য বাজার থেকে ফেরার পথে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা ভ্যান থেকে ১কেজি আপেল ও অন্যান্য দেশি ফল কিনে আনি।ইফতারে আমরা সেই ফল দিয়ে ইফতার ও করি।তখন আমাদের তেমন কোন সমস্যা হয় নি। কিন্ত ইফতারের পর রাত অনুমানিক ১০টার দিকে আমার ছেলে রাইহান একটা আপেল খাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে।সে পেট ব্যাথায় চিৎকার শুরু করে এবং তার শরীর নীল বর্ন হয়ে যায় কিছুটা।সাথে সাথে তাকে হাস্পাতালে নেয়ার পথে সে কয়েকবার বমি করে এবং কিছুক্ষন পর সুস্থ হয়ে উঠে। তিনি আরো জানান,আজ টি.এ রোডের সেই ফলের ভ্যানেগাড়ির খুঁজে গিয়ে তাকে খুঁজে পাওয়া যায় নি।
এব্যাপারে ডাঃশুভ্র তেপান্তর কে বলেন,ফুড পয়েজনিং এর কারনে এমনটা হয়ে থাকতে পারে।কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মেয়াদহীন ফরমালিযুক্ত ফল বিক্রি করছে এখন।যা খেলে একজন স্বাভাবিক সুস্থ মানুষ ও অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। তাই বর্তমানে বাহিরের ফলমূল না খেয়ে দেশীয় ফল যেমন-আম,কাঠাঁল,তরমুজ,পেয়ারা,আনারস ইত্যাদি জাতীয় ফল বেশি খাওয়া উচিৎ। তাছাড়াও করোনা থেকে বাঁচতে লেবুজাতীয় ভিটামিন সি টাইপ খাবার গ্রহণ করা উচিত বেশি বেশি,এতে করোনা প্রতিরোধে শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কাজ করবে বেশি।
তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ArrayCopyright © 2026 তেপান্তর | Design & Developed By: ZamZam Graphics