Tepantor

তিতাস নদীর চার পয়েন্টে বিপদ সীমার উপর পানি

22 July, 2020 : 6:53 pm
ছবিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের তিতাসপাড়া  থেকে তোলা। ছবি: আরিফুল ইসলাম বাবু

তেপান্তর রিপোর্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে চারটি পয়েন্ট দিয়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে আখাউড়ায় তিতাস নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার, নবীনগর পয়েন্টে বিপদ সীমার ৪৮ সেন্টিমিটার, সরাইলের আজবপুর পয়েন্টে বিপদ সীমার ১৫ সেন্টিমিটার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের কুরুলিয়া পয়েন্টে বিপদ সীমার ১১ সেন্টিমিটারের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।  তবে মেঘনা নদীর পানি এখনো বিপদ সীমার ৫২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে হচ্ছে প্রবাহিত। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

ক্রমাগত বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারনে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে। এতে করে প্রতিদিনই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নদ-নদীর পানি বাড়ছে। ইতোমধ্যেই তিতাস নদীর পানি বিপদ সীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে কোনো লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেনি বলে দাবী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

Tepantor

ছবিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের তিতাসপাড়া থেকে তোলা। ছবি: আরিফুল ইসলাম বাবু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রঞ্জন কুমার দাস বলেন, তিতাসের ৪টি পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে পানি বৃদ্ধির বিষয়টি নজরদারি করা হচ্ছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন জানান, তিতাস নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সরাইল ও নাসিরনগরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে এখনো লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেনি। বন্যার আগাম প্রস্ততি হিসেবে নগদ টাকা এবং চালসহ পর্যাপ্ত ত্রান সামগ্রী মজুদ আছে। দূূর্যোগকালীন সময়ের জন্য জেলা প্রশাসনের টিম প্রস্তুত রয়েছে।

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Array