মো. সফর মিয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভার নারায়ণপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের দ্বিতল বাড়ির দুইটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে আনুমানিক ১৫দিন পূর্বে এনজিও’র নাম করে গ্রামীণ সেবা সংস্থা নামে অফিস চালু করে একটি চক্র।
পরে সংস্থাটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের বিশেষ করে মহিলাদেরকে বিভিন্ন ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় উপজেলার প্রায় ৩০০ জনের কাছ থেকে ঋণ প্রদানের পূর্বে রেজিষ্ট্রেশন বাবদ ১৫ থেকে ২০হাজার টাকা করে নেন। কিছু কিছু জায়গায় ৩০ হাজার টাকা করে নিয়েছে বলেও জানাও ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। আজ (১/৩) সোমবার প্রত্যেক গ্রাহককে ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। গ্রাহকরা ঋণ নিতে অফিসে উপস্থিত হলে অফিসের একজন সহকারি ব্যতীত বাকিরা কেউ উপস্থিত ছিল না। এসময় সংস্থার ম্যানেজার পলাশ মিঞার সাথে যোগাযোগ করার জন্য ফোন দিলে উনার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়াও অফিসের মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকের স্বাক্ষরবিহীন অনেক খালি চেক রয়েছে। ভুক্তভোগী অনেকের চোখে মুখে দেখা গেছে হতাশার ছাপ।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী একাধিক গ্রাহকরা জানায়,বিভিন্ন ব্যবসায়ী ঋণ দেওয়ার কথা বলে আমাদের কাছ থেকে অনেক টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে।আজ ঋণ উঠাইবার কথা,আমরা অফিসে এসে দেখি অফিসে কেউ নেই সবাই পালিয়েছে।
কোন প্রকার তথ্য নিশ্চিত না হয়ে একজন অপরিচিত লোককে কেন বাড়ি ভাড়া দিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে বাড়ির মালিক মো. হাবিবুর রহমান জানান,মার্চ মাসের ২ তারিখ এদের সাথে বসে চুক্তি করার কথা ছিল এর আগে এরা ভাইগা গেছে।
এ ব্যাপারে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুর রশিদ জানান, অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ArrayCopyright © 2026 তেপান্তর | Design & Developed By: ZamZam Graphics