আশরাফুল মামুন:তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ ব্যাুরো অব ইনভেস্টিগেশন এর হাতে ধরা পড়লো ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের পুনিয়াউট এলাকার অটোরিকশা চালক মো. আসিফ (২০) এর ২ খুনি। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আখাউড়া পৌরসভার খড়মপুর গ্রামের মুরশিদ মিয়ার ছেলে মোঃ সোহেল মিয়া( ৩৪) এবং একই পৌরসভার মসজিদ পাড়া গ্রামের মৃত হীরা মিয়ার ছেলে মোঃ ইয়াসিন আরাফাত। বুধবার (৩০ জুন) দুপুরে পিবিআইএর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯) জুন আদালতে খুনী সোহেল ও ইয়াসিন স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দিয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৬ মাস পর রহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বলেচে, হত্যার পর লুট করে নেওয়া নিহতের মোবাইল ফোন ট্যাকিং করার পর পিবিআইয়ের জালে ধরা পড়েছে এই দুই খুনি। নিহতের মোবাইল ফোনটি ৬ মাস বন্ধ থাকার পর চালু করে ব্যবহার করতে শুরু করেছিলো খুনী সোহেল।
পিবিআইয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর জেলা সদরের পুনিয়াউট এলাকার মৃত বাবুল মিয়ার ছেলে আসিফ গ্যারেজ থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের দুবলা গ্রামে রেললাইনের ওপরে আসিফের গলাকাটা মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আখাউড়া রেলওয়ে থানায় অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন আসিফের মা রাশিদা। পরবর্তীতে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ২৭ জুন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সোহেলকে আখাউড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সোহেলের দেওয়া তথ্যে অপর খুনী ইয়াসিন কে ২৮ জুন গ্রেফতার করা হয়। সাথে অটোরিকশাটিও উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে খুনিরা স্বীকার করে অটোচালক আরিফ কে গলাকেটে হত্যা করে রেললাইনে শুইয়ে রাখে।
তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
ArrayCopyright © 2026 তেপান্তর | Design & Developed By: ZamZam Graphics