Tepantor

নারী কাউন্সিলরে হ্যাটট্রিক বিজয়ে আখাউড়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র হলেন মিলি আক্তার

4 October, 2021 : 5:32 pm

আশরাফুল মামুন:যেখানে তীব্র প্রতিযোগিতা হয় ধরে নেওয়া হয় সেখানে একাধিক যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি রয়েছে। আর সেটা যদি হয় পৌর নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন তখন মিডিয়া, প্রশাসন ও গণমানুষের কৌতুহল থাকে তুঙ্গে। কে হচ্ছেন সেই সৌভাগ্যবান? আর সেই ধরনের কোন কৌতুহল সৃষ্টি না করে ২০১০ সাল থেকে শুরু করে টানা প্রত্যেকটি নির্বাচনে তিনি চমক সৃষ্টি করেছেন। এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী কে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে জয় পেয়েছেন । টানা তিন বার নির্বাচনে জয়ী হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন গড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তিনি হলেন আখাউড়া পৌরসভার ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড থেকে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর মিলি আক্তার, নারী আসন ২, গতকাল (৩ অক্টোবর) থেকে সর্ব সম্মতিক্রমে নির্বাচিত হয়ে অত্র পৌরসভার প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ শুনা গেলেও মিলি আক্তার ছিলেন এসব কারচুপির অভিযোগ থেকে মুক্ত। নির্বাচনে তার পক্ষে কেহ ভোট কারচুপি করেছে এমন প্রমান পাওয়া যায়নি। এজন্যই পৌরবাসীর কাছে তিনি তুমুল জনপ্রিয়। একজন গৃহবধূ সকল প্রতিকূলতা জয় করে একটি পৌরসভার ছেলে, বুড়ো আপামর জনতার সবার মন জয় করে দীর্ঘ ১১ বছর ধরে জনসেবা করে যাচ্ছেন। সু শিক্ষিতা, অভিজাত বংশের সন্তান ও গৃহবধূ হওয়ায় সহজেই অত্র পৌরসভার গণমানুষের হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। মিলি আক্তার আখাউড়া পৌরসভার মসজিদ পাড়ার বাসিন্দা। স্বামী মোঃ বাহাদুর হোসেন তিতাস। দুই ছেলে সিনান আল মাহী ও সিনান আল আদিব কে নিয়ে ই তার সূখী পরিবার। সিফাত হাসনাত নামে একজন বলেছেন, উনি(মিলি আক্তার) উনার কাজের কারণে তিনবার হ্যাটট্রিক মহিলা কাউন্সিলর হয়ছেন, আমার দেখা খুব ভাল মানুষ উনি। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিলি আক্তার আখাউড়াতেই জম্ম, শিক্ষা অর্জন, শৈশব কৈশোর কাটিয়ে বড় হয়েছেন এবং বিয়ে হয়েছে। এজন্য ছোট বড় সব বয়সের মানুষের কাছে সেই বাল্যকাল থেকেই সুপরিচিত ছিলেন। একজন সুশিক্ষিতা ভদ্র নারী হয়ে জনগনের দোরগোড়ায় পৌঁছে তাদের সাথে মিশে গেছেন। সবার কাছে একজন দক্ষ জনপ্রতিনিধি হিসেবে গ্রহনযোগ্যতার পর জনগনও ভালোবেসে তাকে বার বার নির্বাচিত করে তাদের কাছে রাখতে চাইছেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মিলি আক্তার বলেন, আমার আখাউড়ার মাটি ই আমার সব। যেখানে আমি জম্ম নিয়ে বেড়ে উঠেছি। সেই আখাউড়ার মাটি ও মানুষ কে হৃদয় দিয়ে আপন করে নিয়েছি। আমি আজীবন তাদের পাশে থেকে সেবা করতে চাই । মিলি আরো বলেন, আমি ও আবার পরিবার ভালো রাখতে একটা সময় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে চাকুরী করতাম। কিন্তু চাকুরী করলে জনসেবা করাটা ব্যাহত হয়। তখন আমার কাছে দুইটা অপশন এসে যায় হয় চাকুরী না হয় জনপ্রতিনিধি। তখন আমি জনগনের মায়া মমতা পরিত্যাগ করতে না পেরে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি। দোয়া করবেন আমি যেন আজীবন গণমানুষের সেবা করে যেতে পারি।

Tepantor

তেপান্তরে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Array